খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, যুগ যুগ ধরে অব্যাহতভাবে ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালিয়ে ইসরাইল সকল প্রকার সভ্যতা ও মানবাধিকারের সীমা অতিক্রম করেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে হামলা চালিয়ে ইসরাইল ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসসহ অর্ধসহস্রাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়েছে। ইরানের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ওআইসিকে অবিলম্বে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। আরব বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইরানের পাশে দাঁড়াতে হবে। আগ্রাসী ইসরাইলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জবাব আরো তীব্রভাবে দিতে হবে। এই অবৈধ রাষ্ট্রটি শান্তিকামী মানুষের জন্য হুমকি। ইসরাইলের পক্ষে যারা ভূমিকা পালন করবে তারাও শান্তিকামী মানুষের কাছে দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রাসী ইসরাইলের অপরাধ পাশ কাটিয়ে ইরানকে ধ্বংস করার বারবার হুমকি দিচ্ছেন। শক্তির মদমত্ততায় যারা উন্মাদ হয়ে যায় তাদের পতন অনিবার্য। ইরানের প্রতিরোধের মুখে ইসরাইলের রাজধানীতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইসরাইলী নাগরিকদেরও অনুভব করা উচিত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনীদের সবকিছু হারানোর বেদনা কত কষ্টের।
শুক্রবা (২০ জুন) বাদ জুম্মা খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইরানে ইসরাইলী হামলা ও গাজায় অব্যাহত গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক আবদুল জলিল।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী।
নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মহানগরী সহ-সভাপতি মুফতি সাইফুল হক, সহ-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির আজাদ, কাজী আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সরদার নেয়ামত উল্লাহ, সেলিম হোসেন প্রমুখ।