ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২৬:
খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ উদ্বেগের সাথে বলেন, বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের গণরায়কে উপেক্ষা করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন চায়| অথচ জনগণ বিদ্যমান সংবিধানের এমন সংস্কার চায়, যার দ্বারা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ পুনপ্রতিষ্ঠার সকল পথ রুদ্ধ হয়ে আসবে। জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে এমন কিছু প্রস্তাবনা রয়েছে যাতে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে| সেসব প্রস্তাবনা বর্তমান প্রক্রিয়ায় সংশোধনের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হলে তা টেকসই হবে না। তাই জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন অত্যন্ত প্রয়োজন।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের থাকবে মৌলিক শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তনের গাঠনিক ক্ষমতা| সেই ক্ষমতা ইতিমধ্যে গণভোটে ’হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় প্রদানের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ দিয়ে দিয়েছে| আমরা সরকারকে জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি| পাশাপাশি জুলাই ও শাপলা গণহত্যা সহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ দিল্লী সহ ভারজুড়ে ছাত্র-জনতার স্বতস্ফুর্ত ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নরেন্দ্র মোদী সরকারের নিপীড়ন ও ধরপাকড়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি সংখ্যালঘু মুসলমানদের জীবন, সম্পদ ও মুসলিম ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ধ্বংসে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের তাণ্ডব বন্ধে ভারত সরকারের নির্লিপ্ততার তীব্র সমালোচনা করা হয়।
আজ বিকাল ৩টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমীরে খেলাফত মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, অধ্যাপক ড. আহমদ আসলাম, মাওলানা সামছুজ্জামান চৌধুরী, মাস্টার আবদুল মজিদ, অধ্যাপক মাওলানা এ এস এম খুরশীদ আলম, মাওলানা শেখ সালাহউদ্দিন, বায়তুলমাল সম্পাদক আলহাজ্ব আবু সালেহীন, সমাজকল্যাণ ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আবু সালমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আবদুল করিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট হাফেজ মাওলানা শায়খুল ইসলাম, ডা. আবদুর রাজ্জাক আসাদ, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, বোরহান উদ্দিন সিদ্দিকী, হাফেজ মাওলানা আবু সালমান, অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান, জিল্লুর রহমান, মাওলানা সৈয়দ মুশাহিদ আলী, অধ্যাপক ড. এম মোরশেদ, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, আলহাজ্ব নূর হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন মোহন, মাওলানা সামসুদ্দিন, মাওলানা আহমদ বেলাল, সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা নেহাল আহমদ, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, মাওলানা নুরুল আমিন, গোলাম মোস্তফা, মাওলানা আবু সাঈদ, কর্ণেল (অব.) ডা: এমদাদুল হক, আবুল হোসেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, আমীর আলী হাওলাদার।