গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে – খেলাফত মজলিস

ঢাকা, ১০ এপ্রিল ২০২৬:
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভায় নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, বিএনপি সরকার গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ, মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ও বিচার বিভাগ সংস্কার অধ্যাদেশ সহ বেশ কয়েকটি জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করে দেশকে আবারো ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ অন্তহীন প্রতারণার দলিল ও জাতীয় প্রতারণা হিসেবেও অখ্যায়িত করেছে, এর মাধ্যমে বিএনপি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ভূলুণ্ঠিত করেছে| অথচ এই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৫ টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপির নামও উল্লেখ রয়েছে| তারা ভিন্নমত যুক্ত করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংসদীয় সংশোধন চায়, যা গণভোটে জনরায়ের বিরোধীতা ছাড়া আর কিছুই নয়। জুলাই জাতীয় সনদের যে ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল নির্বাচিত সংসদকে সেগুলো নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করতে হবে। গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
দেশের স্বাস্থ্যখাতে ভয়াবহ অরাজকতা বিরাজ করছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জাম সংকটে চিকিৎসা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। হাম প্রাদুর্ভাবে অনেক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। মশার উৎপাত বেড়েছে। জ্বালানী তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩দিন অনলাইন ক্লাস চালু অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত। এতে আর্থিক ও নৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের বহুমুখী ক্ষতির শিকার হতে হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় সরকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ও আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। পাবলিক পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩দিন অনলাইন ক্লাসের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসার জন্য সরকারকে আহ্বান করছি। বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে অনুষ্ঠিত গতকালকের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এসেছে। এসব অনিয়মের কারণে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহীতা করতে হবে।
আজ বিকাল ৩টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ত্রৈ-মাসিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ডাঃ এ এ তাওসিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, অধ্যাপক ড. আহমদ আসলাম, মাওলানা সামছুজ্জামান চৌধুরী, মাস্টার আবদুল মজিদ, অধ্যাপক মাওলানা এ এস এম খুরশীদ আলম, মাওলানা শেখ সালাহউদ্দিন, অধ্যাপক একেএম মাহবুব আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আবু সালমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আবদুল করিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, যুব বিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মাহবুবুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান, ডা. আবদুর রাজ্জাক আসাদ, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, বোরহান উদ্দিন সিদ্দিকী, অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক ড. এম মোরশেদ, মাওলানা মাহবুবুর রহমান হানিফ, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, আলহাজ্ব নূর হোসেন, মাওলানা আহমদ বেলাল, সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা নেহাল আহমদ, মাওলানা নুরুল হক, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, শায়খুল হাদীস মাওলানা আবদুস সামাদ, মাওলানা নুরুল আমিন, গোলাম মোস্তফা, মাওলানা আবু সাঈদ, কর্ণেল (অব.) ডা: এমদাদুল হক, আবুল হোসেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, আমীর আলী হাওলাদার।